হই হই করে আমরা পঞ্চম স্টেশনে এসে পৌঁছলাম। আমরা শুরু থেকেই বিশ্বাস করে এসেছি, প্রত্যেক পত্রিকার নিজস্ব একটা চরিত্র থাকে। তাই শুধু একটা ভালো গদ্য ছাপা হোক এমন পত্রিকা আমরা বানাতে চাইনি। ম্যাকারেল মূলত চেয়েছে তা নতুন লেখার জায়গা হোক। লেখার সাথে জড়িত হল কনট্রিবিউশন, লেখাটি বাংলা সাহিত্যে কতটা কনট্রিবিউট করছে। আমরা বরাবর চেয়েছি লেখকের নিজস্ব লেখা। নিজের একটা স্টাইল। সন্দীপন যেটাকে বলতেন বাঁ হাতের বুড়ো আঙুলের ছাপ।
বাংলা সাহিত্যের কিছু জঁর মৃতপ্রায়। যেমন পাল্প ফিকশন। পাল্পফিকশন মূলত সেনসেশনাল লিটারেচার। অদ্ভুতভাবে স্বপনকুমার, হেমেন্দ্রকূমারদের পর এই নিয়ে কাজ বাংলায় প্রায় হয়ইনি। সাহিত্য হয়ে রয়ে গেছে এলিট পাঠকদের। আর যা এই জঁর-এ লেখা হয়েছে তার মধ্যে বেশীরভাগই মানের দিক থেকে অত্যন্ত নিম্ন। অথচ অন্য ভাষায় এরকমটা সচরাচর দেখা যায় না। আন্তর্জালের জগতে যেখানে মাস প্রোডাকশন, অ্যাফরডিবিলিটি তুলনামূলকভাবে কম সমস্যার (রসদজনিত সমস্যা ছাড়া) সেখানে বিষয়টি নিয়ে কাজ করা সম্ভব এই বিশ্বাস নিয়ে আমরা এগিয়েছিলাম। আজ মনে হচ্ছে আমাদের পরিশ্রম হয়ত সার্থকতা খুঁজে পেয়েছে। সার্থক কি না তা পাঠক বলবেন , আমরা এটুকু বলতে পারি প্রত্যেকটা লেখায় পাওয়া যাবে সন্দীপন কথিত ওই বুড়ো আঙুলের ছাপ।
No comments:
Post a Comment